আসামির জন্য আনা পাউরুটির ভেতরে গাঁজা

· Prothom Alo

ঢাকার আদালতে হাজিরা দিতে আনা এক কারাবন্দী আসামির জন্য স্বজনের দেওয়া পাউরুটির ভেতরে লুকিয়ে আনা হয়েছিল গাঁজা। হাজতখানায় নেওয়ার আগে নিয়মিত তল্লাশির সময় পাউরুটির ভেতর থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে আদালত চত্বরে থাকা সিসিটিভি (ক্লোজড সার্কিট) ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আরিফুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয় আসামি মো. মামুনকে। হাজিরা শেষে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

Visit afrikasportnews.co.za for more information.

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুনানি শেষে মামুনকে হাজতখানায় নেওয়ার প্রস্তুতির সময় আদালত চত্বরে তাঁর এক স্বজন খাবার হিসেবে একটি পাউরুটির প্যাকেট দেন। সন্দেহ হলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসকর্ট কনস্টেবল মো. শাহেদ তল্লাশি করেন। একপর্যায়ে পাউরুটির ভেতরে কাগজে মোড়ানো দুই পুরিয়া গাঁজা পাওয়া যায়।

ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় আসামির স্বজনেরা খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। দায়িত্বরত কনস্টেবল প্রথমে রাজি না হলেও মানবিক বিবেচনায় একটি পাউরুটি নিতে দেন। প্রাথমিক তল্লাশিতে কোনো সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়েনি। পরে আবার পরীক্ষা করার সময় পাউরুটিতে একটি ছোট ছিদ্র চোখে পড়ে। সেটি খুঁটিয়ে দেখতেই ভেতর থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। বেলা তিনটার পর এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, কে খাবারটি দিয়েছিল, তাকে শনাক্ত করতে আদালত চত্বরের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আসামিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা গেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, মামুন কোন মামলায় কারাগারে আছেন, তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। তবে এ ঘটনায় একটি জিডি করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Read full story at source